খানা-খন্দকে সড়কের বেহাল দশা

অনলাইন ডেস্ক »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দক্ষিণ সাগরকূলের পর্যটন দ্বীপ ভোলার চরফ্যাশনের চর কুকরী মুকরীসহ ৭টি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের উপজেলা ও জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম চরফ্যাশন-চরমানিকা আঞ্চলিক মহাসড়ক।

সংস্কারের অভাবে এ সড়কের শশীভুষণ থেকে দক্ষিণ আইচা বাজার পর্যন্ত প্রায় ১৬ কিলোমিটার এলাকা খানা-খন্দকে পরিণত হয়েছে। বড় বড় গর্তের কারণে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে এ দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায়ই ছোট-বড় দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। গন্তব্যে পৌছঁতে লাগছে দ্বিগুণ সময়। দুর্ভোগ লাগবে রাস্তাটি দ্রত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিয়মিত বাস-ট্রাকসহ ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে রাস্তাটির বর্তমানে বেহাল দশা। সামান্য বৃষ্টিতেই বড় বড় গর্তগুলো পানিতে ডুবে থাকে। এতে ছোট-বড় সব ধরনের যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। চলাচলের অযোগ্য রাস্তার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন যাত্রীরা। দক্ষিণ আইচা থেকে চরফ্যাশন উপজেলা সদর পর্যন্ত ৩০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে হয় এক ঘন্টারও বেশি সময়ে।

সম্প্রতি সডকের করিম পাড়া ও দক্ষিণ আইচা বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাস্তা যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়লে বালু, খোয়া দিয়ে ভরাট করতে দেখা যায়। তবে অস্থায়ী এ সংস্কারে খুশি নয় এলাকাবাসী। চরম ভোগান্তিতে থাকা ওই এলাকার মানুষ দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

গাড়িচালক মো. ইউসুফ জানান, শশীভূষণ থেকে দক্ষিণ আইচা পর্যন্ত যেতে তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয। এর মধ্যে করিমপাড়া বাজারের অবস্থা খুবই খারাপ। বাজারের মধ্যে যে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে তাতে প্রায়ই গাড়ি আটকে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে। সম্প্রতি একদিনে দুটি গাড়ি আটকে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দক্ষিণ আইচা বাজার বাসস্ট্যান্ডের কাছেও সড়কের অবস্থা ভয়াবহ খারাপ। এতে গন্তব্যে পৌঁছাতে দ্বিগুণ সময় লাগছে।

শশীভুষণ বাজারের মধ্যকার সড়কের গর্তগুলো ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে ইট, বালু ফেলে চলাচলের উপযোগী করছেন।

ভোলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম জানান, প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তাটি প্রশস্তকরণসহ সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। বর্ষা কমলেই সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে সাময়িক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

দক্ষিণ আইচা থেকে চরফ্যাশন পর্যন্ত ওই সড়কে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটক ছাড়াও প্রতিদিন সাত ইউনিয়নের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ চলাচল করে থাকেন।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »