জবিতে সশরীরে পরীক্ষা শুরু

জবি থেকে মো. সোহেল »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সশরীরে বিভিন্ন বিভাগের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় বছর (৫৬৮ দিন) পর খুলেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)।

বৃহস্পতিবার পরীক্ষা দিতে এসে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।

সকাল ৯টার আগে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের সময় ফুল দিয়ে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বরণ করতে দেখা যায়।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ, প্রক্টর ড. মোস্তফা কামালসহ বিভিন্ন শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখেন।

এদিকে, সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের পদচারণায় ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর পরিবেশ দেখা যায়। শুন্য ক্যাম্পাসে হাজারো শিক্ষার্থী। গুচ্ছ গুচ্ছ আড্ডা। যেন হাফ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা। তবে সবার মুখে মাস্কসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো পরীক্ষা দিতে আসা গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রথম বর্ষের (১৫ ব্যাচ) শিক্ষার্থী আসিফ ইকবাল বলেন, প্রথমবারের মতো পরীক্ষা দিলাম। খুবই ভালো লাগছে। আমরা ভর্তি হওয়ার পর করোনায় সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। দেড় বছর বাসায় ছিলাম। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হতো না। আজ পরীক্ষা দিতে এসে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়ে ভালো লাগছে।

এদিকে, সকালে ক্যাম্পাসে মাস্ক, কলমসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করতে দেখা যায় জবি শাখা ছাত্রলীগকে।

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটন, যুগ্ম আহ্বয়ক জামাল উদ্দিন, সৈয়দ শাকিল, ইব্রাহিম ফরাজি, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ শাহীন, আল আমিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা শিক্ষা উপকরণ বিতরন করেন। পরে তারা ক্যাম্পাসে স্লোগান দিয়ে শোডাউন দেন।

আশরাফুল ইসলাম টিটন দেশের কণ্ঠকে বলেন, দেড় বছর পর পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জবি ছাত্রলীগ করোনার সময়ও বসে থাকেনি। শিক্ষার্থীদের বাসা সংকট, অসহায় শিক্ষার্থীদের সহায়তা করাসহ ক্যাম্পাসের বাইরে অসহায় মানুষদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে। ক্যাম্পাস খুলে দিল। আশা করছি দ্রুতই জবির কমিটি দেবেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল দেশের কণ্ঠকে বলেন, আজ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক হলো। আমরা আজ ক্যাম্পাস ঘুরে স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশনা দিয়েছি। আশা করছি শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্যাম্পাসে আসবে।

এদিকে, প্রায় দেড় বছরের বিরতিতে সেজনজটের শঙ্কায় আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী।

সেজনজট কমানোর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. চঞ্চল কুমার বোস দেশের কণ্ঠকে বলেন, পরীক্ষা হোক তারপর আমরা সেজনজট দ্রুত কিভাবে কমানো যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »