দুবাই এক্সপোতে ৫০ বছরের অর্জন তুলে ধরবে বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিবেদন »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

করোনার কারণে এক বছর পিছিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত দুবাই এক্সপো। আগামী ০১ অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৬ মাসব্যাপী চলবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই মেলা। মহামারি মোকাবিলা করে এক্সপোকে সফল করতে আমিরাত সরকার কঠিন চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছে।

এই ইভেন্ট সফল করতে এরই মধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আমিরাত সরকার। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন প্রস্তুত হয়ে গেছে এক্সপো গ্রাউন্ডে।

বৃহস্পতিবার এক্সপো গ্রাউন্ডে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হলেও বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন হবে শুক্রবার। মূলত পহেলা অক্টোবর থেকে এক্সপো শুরু। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

১৯১টি দেশ অংশ নিচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই মেলায়। ছয় মাসব্যাপী এক্সপোতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্য, উদ্ভাবন, জাতীয় ব্র্যান্ড, পর্যটন এবং নিজস্ব কৃষ্টি কালচার বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করা হবে।
১৭০ বছরের ইতিহাসে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথম বারের মতো ওয়ার্ল্ড এক্সপো ২০২০ এর আয়োজন করছে। সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালে ইতালির মিলানে।

২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাত এক্সপো ২০২০ এর জন্য স্বাগতিক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়। ১৬৪টি দেশের মাঝে ১১৬টি দেশের ভোট পায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। এক্সপোতে এবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা যাতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হতে পারেন সেই সুযোগ রাখা হয়েছে। যারা সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবেন না তারা ভার্চুয়ালি বিভিন্ন প্যাভিলিয়ন সম্পর্কে জানতে পারবেন।

এক্সেপোর মাধ্যমে বাংলাদেশে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, অগ্রগতি, সাফল্য ও বাণিজ্য সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশের পণ্যের পাশাপাশি কৃষ্টি ঐতিহ্য সম্পর্কিত পণ্য সম্ভার প্রদর্শনী করা হবে।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোতে থাকবে বিশেষ আয়োজন ৩ ডিসেম্বর ইন্টারন্যাশনাল ডে অব পারসনস উইথ ডিজএবিলিটিস, ১৬ ডিসেম্বর কান্ট্রি ডে, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান এবং ২৬ মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন থাকবে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »