টাইগারদের লক্ষ্য ১৬২ রান

অনলাইন ডেস্ক »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পাঁচ ম্যাচ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে ১৬২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। শুক্রবার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।

গত চার ম্যাচে অপরিবর্তিত একাদশ থাকলেও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ দলে এসেছে চার পরিবর্তন। আঙ্গুলে পাওয়া চোটের কারণে সাকিব আল হাসান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে বিশ্রামে রাখা হয়। বিশ্রামে রাখা হয় মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদি হাসানকেও। দলে ফিরেছেন সৌম্য সরকার, শামিম হোসাইন, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।

অপরদিকে নিউজিল্যান্ড দলে আসে তিন পরিবর্তন। ব্লেয়ার টিকনার, হামিশ বানেট ও চোট পাওয়া টম ব্লান্ডেলের বদলে দলে ফিরেছেন স্কট কুগেলিন, বেন সিয়ার্স ও জ্যাকব ডাফি।

ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও রাচিন রবীন্দ্রের ব্যাটে দারুণ শুরু পায় নিউজিল্যান্ড। অবশ্য দ্বিতীয় ওভারেই একবার জীবন পান রবীন্দ্র। নাসুমের শর্টলেংথের বলটা টেনে মেরেছিলেন কিউই ব্যাটসম্যান, ডিপ মিডউইকেটে একটু নীচু হয়ে হাতে নিতে পারলেও রাখতে পারেননি বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়া শামীম হোসেন। এরপরের দুই বলে চার ও ছক্কা হাঁকান অ্যালেন।

চতুর্থ ওভারে আক্রমণে আসেন সিরিজে প্রথম ম্যাচ খেলতে নাম শরীফুল। এই বাঁহাতি পেসারের ওভারে আসে ১৯ রান। সবমিলিয়ে নিজের প্রথম ৯ বলেই ৩০ রান খরচ করা শরীফুলই প্রথম ব্রেক-থ্রু এনে দেন।

শরীফুলের করা ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান অ্যালেন। এক বল পরে বাউন্ডারি হাঁকান রবীন্দ্র। তবে চতুর্থ বলেই মিড-অনে তুলে মারেন রবীন্দ্র, মিড-অফ থেকে অনেকটা দৌড়ে গিয়ে দারুণ ড্রাইভে বল তালুবন্দি করেন মুশফিকুর রহিম। ১২ বলে ১৭ রান করে বিদায় নেন রবীন্দ্র। কিউইদের ওপেনিং জুটিতে ৫৮ রান আসে।

পরের বলেই অ্যালেনকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন শরিফুল। আম্পায়ার আউটও দেন। কিন্তু রিভিও নিয়ে সে যাত্রায় বেঁচে যান কিউই ওপেনার। তবে অ্যালেনের শেষরক্ষা হয়নি। ওভারের শেষ বলেই দুর্দান্ত খেলতে থাকা অ্যালেনকে বোল্ড করে ফেরান শরিফুল। বিদায়ের আগে ২৪ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৪১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন অ্যালেন।

টানা দুই উইকেট হারানো কিউইদের আরও এক ধাক্কা দেন আফিফ হোসেন। পার্ট-টাইম স্পিনারের চতুর্থ বলে বিদায় নেন উইল ইয়াং (৬)। ১০ ওভার শেষে কিউইদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৮১ রান। এরপর সৌম্য সরকারের আগের ওভারে ছক্কা হাঁকানো কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে (৯) বিদায় করেন নাসুম আহমেদ। এ সিরিজে এ নিয়ে চতুর্থবার নাসুম আহমেদের শিকার গ্র্যান্ডহোম।

দ্রুত কয়েকটি উইকেট পড়ার পর কিউই ইনিংসের পুনর্গঠনের কাজটা করছিলেন টম ল্যাথাম ও হেনরি নিকোলস। দুজনের জুটিতে আসে ৩৫ বলে ৩৫ রান। ১৭তম ওভারে তাসকিনের বলে দারুণ এক ক্যাচে বিদায় নেন নিকোলস। অফস্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়েছিলেন তিনি, বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ নেন নুরুল।

সঙ্গী হারালেও রানের চাকা সচল রাখার কাজ চালিয়ে যান ল্যাথাম। কিউই অধিনায়ক শুরুতে দেখেশুনে ব্যাট করলেও ধীরে ধীরে হাত খুলতে থাকেন। তাসকিনের করা ১৯তম ওভারে বিশাল ২ ছক্কা ও ১টি চার হাঁকান তিনি। ওই ওভারে তার ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান। এরপর শরিফুলের করা শেষ ওভারে সিরিজে নিজের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন কিউই অধিনায়ক। মাত্র ৩৭ বলে তার ঝড়ো ফিফটিতেই বড় সংগ্রহ পায় কিউইরা। ম্যাকনচি ১০ বলে ১৭ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।

শেষ ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

বল হাতে দেদারসে রান খরচ করা শরীফুল নেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট যায় আরেক খরুচে বোলার তাসকিনের ঝুলিতে। এছাড়া নাসুম ও আফিফ নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »