জামায়াতের সেক্রেটারিসহ ১০ নেতা আটক

অনলাইন ডেস্ক »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদসহ দলটির সাত নেতাসহ ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ দাবি করেছে, রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী গোপন ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক করার সময়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি অফিস থেকে তাদের আটক করা হয়।

তাদের গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলটির আমির ডা: শফিকুর রহমান। সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আজাদসহ ১০ জনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার অপর নেতারা হলেন- সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আবদুর রব, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ ও মোবারক হোসাইন এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত। অপর দু’জন অফিসটির কর্মী বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি।

পুলিশ বলছে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বাড়িতে জামায়াত সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের একটি অফিস রয়েছে। ওই অফিসে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েক নেতা গোপন বৈঠক করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভাটারা থানা পুলিশ ওই অফিসটি ঘিরে ফেলে। এরপর ভেতরে অভিযান চালিয়ে জামায়াদের ওই নেতাদের আটক করা হয়। ওই সময়ে আরও কয়েকজন পালিয়ে যান।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আটক হওয়া জামায়াতের নেতারা অফিসটিতে গোপনে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক করছিলেন। তারা দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে গোপনে একত্রিত হন। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আটক হওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক গোপন বৈঠকের অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

পুলিশের অপর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আটক হওয়া প্রায় সবার বিরুদ্ধেই বিভিন্ন সময়ে জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর ও নাশকতার মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তারা জামিনে রয়েছেন কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে। জামিনে না থাকলে পুরনো মামলাগুলোতেও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »