ওয়ালটন শোরুমে ডিপ ফ্রিজ বিক্রির হিরিক

নিজস্ব প্রতিবেদক »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ঈদ-উল-আযহা। সাধারণ প্রয়োজনের পাশাপাশি কোরবানির গোসত সংরক্ষণের চিন্তাও সবার মাথায়। আর তাই ক্রেতারা ছুটছেন ফ্রিজের শোরুমে।

তবে ঈদের আগের এ ক’দিনে ব্যাপক হারে চলছে ডিপ ফ্রিজের বিক্রি। সারাদেশে ওয়ালটন শোরুমগুলোতে ডিপ ফ্রিজ বিক্রির হিরিক পড়েছে।

এদিকে, ঈদে ক্রেতাদের যেকোনো ব্র্যান্ডের সচল বা অচল ফ্রিজ বদলে বিশেষ ডিসকাউন্টে ডিপ ফ্রিজ কেনার সুযোগ দিচ্ছে ওয়ালটন। এছাড়া ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ক্রেতারা মিলিয়নিয়ার বা নগদ ১০ লাখ টাকাসহ কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তাই সেরা দামে সেরা মানের ফ্রিজ কিনতে ঈদ বাজারের শেষ মুহুর্তে ক্রেতারা ভিড় করছেন দেশের সুপার ব্র্যান্ড ওয়ালটনের শোরুমে। সারাদেশে ওয়ালটনের বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক বিক্রি হচ্ছে ডিপ ফ্রিজ, ফ্রস্ট ও নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর।

জানা গেছে, ঈদ বাজারে রয়েছে ওয়ালটনের ১৭ মডেলের ফ্রিজার বা ডিপ ফ্রিজ। ১২৫ থেকে ৩০০ লিটার ধারণ ক্ষমতার এসব ডিপ ফ্রিজ ১৯ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ৪৩ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে কেনা যাচ্ছে। ঈদ উপলক্ষ্যে ওয়ালটন নিজস্ব কারখানায় উচ্চমানের টেম্পারড গ্লাসে তৈরি অত্যাধুনিক ফিচারের ছয়টি নতুন মডেলের ডিপ ফ্রিজ বাজারে এনেছে। পাশাপাশি করোনা ভাইরাস দুর্যোগ বিবেচনায় ঈদে ওয়ালটন ডিপ ফ্রিজে কুলপ্যাক ফিচারের নতুন মডেল যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে ওয়ালটনই প্রথম এই বিশেষ ফিচারের ডিপ ফ্রিজ বাজারে ছেড়েছে।

‘মেগা ঈদ ফেস্টিভ্যাল’ এর আওতায় ঈদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার বা ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন অনেক ক্রেতা। এছাড়া অসংখ্য ক্রেতা পেয়েছেন আকর্ষণীয় অঙ্কের নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার।

এসব সুবিধার পাশাপাশি ওয়ালটন ফ্রিজে রয়েছে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্টসহ কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি সুবিধা। এছাড়া ঈদে ঘরে বসে ফোন করলেই কাছাকাছি ওয়ালটন প্লাজা অথবা ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক নির্দেশিত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওয়ালটনের দক্ষ কর্মকর্তাগণ গ্রাহকের ঘরে ফ্রিজে পৌঁছে দিচ্ছেন।

এক্ষেত্রে রয়েছে ক্যাশ অন ডেলিভারি ও ফ্রি হোম ডেলিভারি সার্ভিসের সুবিধা। আবার অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে পাঁচ শতাংশ ডিসকাউন্টসহ জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের ইএমআই সুবিধায় ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রয়ের সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা।

ওয়ালটন ফ্রিজের সাশ্রয়ী দাম, উচ্চ গুণগতমানের পাশাপাশি সর্বোচ্চ বিক্রয়োত্তর সুবিধা থাকায় ঈদের আগে শোরুমগুলোতে ফ্রিজ বিক্রির উৎসব চলছে বলে জানান রাজধানীসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বাগেরহাট, বগুড়া, সিলেট, ফেনী, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়োজিত ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার, পরিবেশক ও অঞ্চল প্রধানরা।

চট্টগ্রাম শহরে বহদ্দারহাট ওয়ালটন প্লাজা শাখার ম্যানেজার মো. সৌরভ হোসেন জানান, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পণ্য বিক্রি করছেন তারা। ঈদের আগ মুহুর্তে ব্যাপক হারে ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে। ভালো ভাবে ক্রেতাদের চাপ সামাল দিচ্ছেন ওয়ালটন শোরুমের বিক্রয় প্রতিনিধিগণ।

রংপুর জেলা শহরের সেন্ট্রাল রোড ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজার রাকিবুল হাসান জানান, ফ্রিজ কেনার ক্ষেত্রে এই অঞলের বেশির ভাগ ক্রেতারই আস্থা ওয়ালটনে। বিগত বছরগুলোর মতো এই ঈদেও শেষ মুহুর্তে পছন্দের ওয়ালটন ফ্রিজ কিনতে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন।

ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের বরিশাল, ফরিদপুর, খুলনা, পটুয়াখালী, ব্রাক্ষণবাড়িয়া ও সিলেট জোনের ডেপুটি সেলস ম্যানেজার মো. আশাদুজ্জামান জানান, ঈদে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অত্যাধুনিক ডিজাইন ও ফিচারের ফ্রিজের পাশাপাশি অসংখ্য ক্রেতা সুবিধা দেয়ায় ফ্রিজ বিক্রি সন্তোষজনক। বিশেষ করে ডিপ ফ্রিজের বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছে- ঈদে ক্রেতাদের যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরোনো সচল বা অচল ফ্রিজ বদলে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্টে ওয়ালটন ডিপ ফ্রিজ কেনার সুযোগ দেয়ার বিষয়টি।

ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ অব বিজনেস আনিসুর রহমান মল্লিক জানান, ক্রেতাদের পরিবেশবান্ধব, বিদ্যুসাশ্রয়ী ও সর্বোচ্চ গুণগতমানের পণ্য তুলে দিতে ওয়ালটন বদ্ধপরিকর। সে জন্য ওয়ালটন ফ্রিজের কম্প্রেসরে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর ৬০০অ রেফ্রিজারেন্ট। এছাড়া ন্যানো হেলথ কেয়ার প্রযুক্তি, ডিরেক্ট ইভাপোরেটিভ কুলিং সিস্টেম (ডিইসিএস), ওয়াইড ভোল্টেজ রেঞ্জ, কুল প্যাক (বিদ্যুৎ ছাড়াই ফ্রিজের অভ্যন্তর দীর্ঘক্ষণ ঠান্ডা রাখার প্রযুক্তি), এন্টি ফাংগাল গ্যাসকেট, থ্যালেট মুক্ত গ্যাসকেট, হানড্রেড পার্সেন্ট কপার কনডেনসার, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্রের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উচ্চমানের উপাদান ব্যবহারের ফলে ওয়ালটন ফ্রিজ অনেক টেকসই, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব এবং স্বাস্থ্যসম্মত।

সূত্র মতে, ওয়ালটনের প্রতিটি ফ্রিজ আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারী সংস্থা নাসদাত ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মান সনদ পাওয়ার পরই বাজারে ছাড়া হচ্ছে। তাই সর্বোচ্চ মানের আত্মবিশ্বাসে ফ্রিজে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টির পাশাপাশি কম্প্রেসারে ১২ বছরের গ্যারান্টি সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন।

এছাড়া, আইএসও সনদ প্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারাদেশে ৭৬টি সার্ভিস সেন্টার থেকে মিলবে পাঁচ বছরের বিক্রয়োত্তর সুবিধা। মিলবে হোম সার্ভিসও। গ্রাহকরা যেকোনো মোবাইল থেকে ১৬২৬৭ নম্বরে কল দিয়ে বছরের ৩৬৫ দিনই পাচ্ছেন কাঙ্খিত সেবা। তথ্য প্রাপ্তির পর গ্রাহকের বাড়িতে দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে সার্ভিস এক্সপার্টস। ওয়ালটনের এই সেবা এরই মধ্যে গ্রাহক মহলে ব্যাপক প্রসংশিত হয়েছে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »