চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরির অভিযোগ

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) থেকে দেলোয়ার হোসেন »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চট্টগ্রাম লোহাগাড়ায় আধুনগর রশিদেরঘোনা ৪ নং ওয়ার্ডে এক ভূমিদস্যু কর্তৃক চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

অভিযুক্ত হারুন ওরফে হারুন মাঝি ওই ওয়ার্ডের আদর্শ পাড়ার বাসিন্দা।

সূত্র মতে, রশিদেরঘোনা শাহ্ বদিউর রহমান সড়কে পাগলীরছড়া খালের ব্রীজ সংলগ্ন চলাচলের রাস্তা কেটে জমি বানানো এবং রশিদেরঘোনা পুলের গোড়া সংযোগ সড়কে মাছের প্রজেক্ট করে রাস্তায় কাদা মাটি ফেলে ক্ষেত রোপণ করে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন হারুন মাঝি। এখানকার দু’টি রাস্তা দিয়ে হাজার হাজার জনসাধারণ, রশিদেরঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রশিদেরঘোনা উচ্চ বিদ্যালয় ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী ও মসজিদের মুসল্লীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগী বাসিন্দা মাষ্টার জাকারিয়া ও আমিন সওদাগর বলেন, হারুন মাঝির সামাজিক অত্যাচার ও জুলুমে এলাকাবাসী নাভিশ্বাস ফেলছে। সে নেশা করে এবং মাদক সেবীদেরকে নিয়ে এলাকার গরীব অসহায়দের জায়গা-জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।

আরেক ভুক্তভোগী সিরাজ বলেন, ভূমিদস্যু হারুন সিন্ডিকেট করে স্ট্যাম্প জালিয়াতির মাধ্যমে আমাকে বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার অপচেষ্টা চালানোর পর সে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদ আহমদ বলেন, “হারুন মাঝির বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মাঝে নানা রকম জালিয়াতি, জায়গা-জমিসহ এ পর্যন্ত মোট সাতটি নালিশ আমার কাছে আছে। ব্রীজ সংলগ্ন রাস্তা কেটে জমি বানানো, মাছের প্রজেক্টের কাঁদা মাটি দিয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় সরেজমিনে তাকে উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য বার বার বলেছি। সে তা কর্ণপাত না করে উচ্ছৃঙ্খল ভাবে মানুষকে হয়রানিতে মেতে উঠেছে। তার বিষয়ে আমি আধুনগর ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করেছি।

রশিদেরঘোনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আধুনগর ইউনিয়ন সহ সভাপতি মাস্টার বজলুর রহমান প্রতিবেদককে বলেন, হারুন মাঝি ব্যক্তিটি দুষ্ট প্রকৃতির। সে জনসাধারণকে ফাঁদে আটকে বিভিন্ন জালিয়াতির মাধ্যমে জায়গা-জমি দখল করে এলাকাবাসীকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এতে সমাজ বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনায় ভুগছে। এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হারুন মাঝির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »