সাফারী পার্কে ওয়াইল্ড বিস্টের প্রজনন বৃদ্ধি

গাজীপুর থেকে মোফাজ্জল হোসেন »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ওয়াইল্ড বিস্টের নতুন শাবক জন্ম নিয়েছে। এ নিয়ে পার্কটিতে ওয়াইল্ড বিস্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭টি। চলমান লকডাউনের এ সময়ে তথা এ বছর পার্কে কমপক্ষে পাঁচটি ওয়াইল্ডবিস্ট জন্ম নিয়েছে।

বুধবার পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান জানান, এর ধারাবাহিকতা আমাদেরকে ওয়াইল্ড বিস্টের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দিবে।

তিনি জানান, করোনা সংক্রমণের এ সময়ে দর্শণার্থীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে। লকডাউনের কারণে দর্শণার্থী প্রবেশ পুরোপরি নিষেধ। এ সুযোগে প্রকৃতির শতভাগ অনুকূল পরিবেশ পেয়ে ওয়াইল্ড বিস্টের প্রজনন বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর কমপক্ষে পাঁচটি ওয়াইল্ডবিস্টের শাবক জন্ম নিয়েছে। সোমবার জন্ম নেওয়া পার্কের এ প্রাণীটির সংখ্যা এখন ১৭।

পার্কের ওয়াইল্ড লাইফ সুপারভাইজার সারোয়ার হোসেন খান বলেন, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন জাতের প্রাপ্তবয়স্ক ওয়াইল্ডবিস্ট এ পার্কে আনা হয়। বয়সজনিত কারণে দুটি ওয়াইল্ডবিস্ট মারা গেছে। একটি করে বাচ্চা প্রসব করা এদের বৈশিষ্ট্য। অন্যান্য অনেক প্রাণীর মতোই জন্মের পর থেকে এরা এক বছর পর্যন্ত মায়ের সাথে থাকে এবং দুধ পান করে। জন্মের সপ্তাহখানেক পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘাস ও তৃণলতা খেতে থাকে। এরা পাল বেঁধে চলাফেরা করে। জন্মের পর ধূসর বর্ণের হলেও প্রাপ্ত বয়ষ্ক ওয়াইল্ড বিস্ট নীলাভ ধূসর হয়ে থাকে। এ প্রাণিগুলো আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দেশগুলোর প্রাকৃতিক পরিবেশে বেশি বিচরণ করতে দেখা যায়।

ওয়াইল্ড বিস্ট সাধারণত ছোট ঘাস ক্ষেতে বেশি পছন্দ করে। পুরুষ দুই বছর ও মাদি ওয়াইল্ড বিস্ট ১৬ মাসে প্রজনন সক্ষমতা অর্জন করে। প্রাকৃতিক পরিবেশে ওয়াইল্ডবিস্ট ২০ বছর এবং আবদ্ধ পরিবেশে ২৪ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »