এরশাদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

রংপুর থেকে মো সুমন ইসলাম »

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আজ ১৪ জুলাই বুধবার সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি। কর্মসূচিগুলো হলো- সকাল ৭টায় রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন (দলীয় পতাকা অর্ধ্বনমিত থাকবে), কালো ব্যাজ ধারণ, সকাল ১০টায় নগরীর দর্শনা মোড় পল্লী নিবাসে প্রিয় নেতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, সূরা ফাতিহা পাঠ, বেলা ১১টায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভা অনু্ঠিত হয়।

আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ত্ব করেন, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও জাতীয় পার্টির পেসিডিয়াম সদস্য মো. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এমপি মো. শামীম হায়দার পাটয়ারী ও মো. নুর ইসলাম তালুকদার, এস এম ইয়াছির আলী, ভাইস চেয়ারম্যান কেন্দ্রীয় কমিটি ও সাধারণ সম্পাদক রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টি। আলহাজ্ব মো. আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি ও সাধারণ সম্পাদক রংপুর জেলা জাতীয় পার্টি। মো. মাসুদার রহমান মিলন, ভাইস চেয়ারম্যান রংপুর সদর উপজেলা, কাজলী বেগম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রংপুর সদর উপজেলা।

এ ছাড়া দিনব্যাপী নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কোরআন তেলাওয়াত ও বাদ আসর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। জেলার প্রতিটি পৌরসভা, উপজেলা এবং ইউনিয়নে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৮২-১৯৯০ সাল পর্যন্ত ৯ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিসহ গ্রাম-বাংলার উন্নয়নে কাজ করেছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক বিল মওকুফসহ উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তকও ছিলেন সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধান। তার আমলেই মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ওষুধ নীতি প্রণয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ঢাকার বেড়ি বাঁধ নির্মাণ, যমুনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করাসহ তার যুগোপযোগী সিদ্ধান্তগুলো এখনো প্রসংশনীয় ও অমলিন।

১৯৮৬ সালে এরশাদ প্রতিষ্ঠা করেন জাতীয় পার্টি। শুরু থেকেই বৃহত্তর রংপুর জাতীয় পার্টির দুর্গে পরিণত হয়। আর তাই সাবেক সেনাপ্রধান হলেও মৃত্যুর পর ভক্ত-অনুসারীদের দাবির মুখে এরশাদকে রংপুরের পল্লী নিবাসে সমাহিত করা হয়। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। পরে পরিবারের সঙ্গে রংপুরে চলে আসেন। নব্বই বছর বয়সে ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »