হাতি দিয়ে চাঁদা আদায়

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) থেকে ছামিউল ইসলাম »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

করোনাসহ নানাবিধ কারণে প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে সার্কাস। শিল্পীরা অনেকে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। পাশাপশি উপকরণগুলো পড়ে থাকার কারণে ধংস হয়ে যাচ্ছে। যার কারণে হাতেগোনা কয়েকজন শিল্পী সার্কাসের পশু-পাখি ব্যবহার করে শহর বন্দরে চাঁদা আদায় করছে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শহরে কিছু দিন পর পর বিভিন্ন দোকান এবং সড়কে পথচারীদের গতিরোধ করে চাঁদা আদায় করতে দেখা গেছে এক সোয়ারীসহ হাতিকে।  টাকা না দিলে ছাড়ছে না দোকানদার ও পথচারিকে।

কথা হয় হাতির সোয়ারী আতিকুর মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, সে ছোট থেকে সার্কাসে হাতি দিয়ে খেলা দেখাতেন। দীর্ঘদিন ধরে সার্কাস বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবন জাপন করছেন। সে কারণে হাতি নিয়ে বের হয়েছে। হাতির খাবার জন্য এবং কিছু রোজগারের আশায় এ কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, দিনে প্রায় ৪০০ হতে ৫০০ টাকা রোজগার হয়। যা দিয়ে কোনমতে সংসারের চালানো যায়।

তবে প্রশাসনের দাবি হাতি দিয়ে চাঁদা আদায় করা আইনসিদ্ধ না। এটি অন্যায় এবং প্রত্যারণা।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »