সড়কে বিআরটিসির বাস, নেওয়া হচ্ছে যাত্রী

অনলাইন ডেস্ক »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সড়কে অবাধে চলাছে ব্যক্তিগত গাড়ি। আছে মাইক্রোবাস, সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের দাপট। চলতে দেখা গেছে বিআরটিসির যাত্রীবাহী বাসও। সড়কে গাড়ির তুলনায় চেকপোস্টের তেমন নজরদারি নেই। অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের বেঁধে দেওয়া বিধিনিষেধের চতুর্থদিনে সকাল সোয়া ৯টার পর রাজধানীর ঢাকা-ময়মনসিংহ প্রধান সড়কে এ চিত্র দেখা গেছে।

সড়কের পাশে সকাল ৮টা থেকে রাজলক্ষ্মী মোড়ে বেসরকারি এক ব্যাংকের এটিএম বুথের নিরাপত্তা কর্মী মো. রনি হাসান দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, অন্য দিনের তুলনায় আজ সকাল থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি বেশি দেখা গেছে। এছাড়া মানুষের চলাচলও বেড়েছে। গতকাল (শুক্রবার) ও তার আগের দিন এত গাড়ি ও মানুষ রাস্তায় দেখা যায়নি।

রনি হাসান জানালেন, গত কয়েকদিন যেভাবে চেকপোস্টে প্রতিটি গাড়ি চেকিং করা হয়েছিল, আজ সেভাবে পুলিশকে কাজ করতে দেখা যায়নি। এ কারণে গাড়ি নিয়ে সহজেই চলে যাচ্ছেন সবাই। শুক্রবারও অনেক গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ তেমনটা দেখা যায়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, দ্রুত গতিতে ব্যক্তিগত গাড়িগুলো সড়কে ছুটছে। প্রায় প্রতিটি গাড়িতেই তিন থেকে চারজনের অধিক যাত্রী রয়েছে। কয়েকটি মাইক্রোবাস যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে হঠাৎ দেখা গেল মহাখালীগামী একটি বিআরটিসির বাস থামিয়ে যাত্রী তুলছে। এছাড়া রাস্তার পাশে পরিবহনের অপেক্ষায় ছিলেন বেশ কিছু যাত্রী। তাদের অনেকে বিভিন্ন গাড়ি ভাড়া করে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ আবার মোটরসাইকেল থামিয়ে যাত্রী ডাকছেন। এছাড়া চেকপোস্টে অধিকাংশ ব্যক্তিগত গাড়িকে চেক না করেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। অবাধে চলছে গাড়িগুলো।

উত্তরার প্রধান এই সড়কটিতে আজ পথচারীদের যাতায়াতও চোখে পড়ার মতো। সবাই ছুটছেন যে যার গন্তব্যে। বেশিরভাগ পথচারীকে মাস্ক পরতে দেখা গেলেও দুই-চারজনকে মাস্ক হাতে নিয়ে অথবা থুতনির নিচে নিয়ে হাঁটতে দেখা গেছে।

এরই মধ্যে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বাড়তে থাকে। প্রতিদিন মৃত্যু ও সংক্রমণের নতুন রেকর্ড হচ্ছে দেশে। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন ‘প্রয়োজনে আরও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারে সরকার’।

এরপর গত ৯ এপ্রিল সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর ও সর্বাত্মক লকডাউন’ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন। পরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীও একই ইঙ্গিত দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১২ এপ্রিল ১৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার।

এদিকে বিধিনিষেধের মধ্যে যাদের একান্তই বাইরে যাওয়া প্রয়োজন হবে তাদের জন্য মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »