মুখ খুললেন শারুন চৌধুরীর সাবেক স্ত্রী মীম

অনলাইন ডেস্ক »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্প্রতি পর পর দুটি আত্মহত্যা প্ররোচণার নেপথ্য সম্পৃক্ততায় নাম উঠে আসে চট্টগ্রামের পটিয়ার সংসদ সদস্য ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল হক চৌধুরী ওরফে শারুন চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এমন সময়ে প্রাক্তন স্ত্রীর বিরুদ্ধেও শারুন অভিযোগের আঙুল তুললে মুখোমুখি হয় সাফিয়া রহমান মীমের।

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ না যেতেই ব্যাংকার আকতার মোর্শেদ চৌধুরীর আত্মহত্যা প্ররোচণায় জড়িত অভিযুক্তদের সহযোগী হিসেবে শারুনের নাম উল্লেখ করেন ওই ব্যাংকারের স্ত্রী।

একাধিক সংবাদ সম্মেলন ও গণমাধ্যমকে প্রদত্ত বক্তব্যে ব্যাংকারের স্ত্রী শিক্ষিকা ইশরাত জাহান চৌধুরী তাঁর স্বামীকে আত্মহত্যার প্ররোচণায় মানসিক নির্যাতন, হুমকি প্রয়োগসহ নানা ভাবে পরিস্থিতি তৈরি করার পেছনে হুইপ পুত্রের সম্পৃক্ততার তথ্য তুলে ধরেন।

ঠিক ওই ব্যাংকারের আত্মহত্যার এক পক্ষকাল না যেতেই ঢাকায় দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্বার করে পুলিশ। এই হত্যা প্ররোচণায় প্রথমে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের নাম উঠে এলেও এখন এই ঘটনায় তোলপাড় আলোচনা চলছে এর নেপথ্যে হুইপ পুত্রের সম্পৃক্ততা নিয়ে।

উপর্যুপরি এমন দুটি আত্মহত্যা প্ররোচণায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে যখন আলোচনায় তুঙ্গে, ঠিক তখনই শারুনের সাবেক স্ত্রী মুখ খুললেন।
জানালেন চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। খোলা মেলা অনেক তথ্যই জানান মীম।

২০১৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর শারুন ও মীমের বিয়ে হয়। ২০১৪ সালের ২৪ জুন তাদের একমাত্র সন্তান কন্যা সাইশা করিম চৌধুরীর জন্ম।

অতঃপর শারুন চৌধুরী কর্তৃক উপর্যুপরি মানসিক, শারীরিক নির্যাতন, বিচ্ছেদে থাকা এবং শেষ পর্যন্ত সংসার টিকিয়ে রাখতে না পারা, একমাত্র শিশু সন্তানকে আটকে রাখা, মৃত্যু হুমকি এবং আত্মহত্যা করার মতো অবস্হা তৈরির হুংকার দেয়াসহ ঠিক অবর্ণনীয় ঘটনা প্রবাহ তুলে ধরেন মীম।

ঢাকার মেয়ে মীম আগেও সামাজিক মাধ্যমে তার ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম নির্যাতনের ঘটনা ছবিসহ তুলে ধরেছিলেন এবং তার কাছ থেকে একমাত্র শিশু কন্যাকে কেড়ে নিয়ে যাওয়ার হৃদয় বিদারক ঘটনার বর্ণনা দেন।

কলেজ শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ বাসা থেকে উদ্বারের পর মৃত্যুর আগে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে শারুনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়।

সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মীম জানান, শারুন-মুনিয়ার সেই চ্যাটে আমার চরিত্র নিয়ে শারুনের মন্তব্য আমি দেখেছি, তাতে আমি বিস্মিত হইনি। কারণ তার আচরণেই তার রুচিবোধ সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে একটি কথা আমি স্পষ্ট করে বলতে পারি, আমার চরিত্র যদি খারাপ হতো, তাহলে তাকে (শারুনকে) অনেক আগেই ছেড়ে চলে আসতাম। এত নির্যাতন সহ্য করেও ওই সংসার টিকিয়ে রাখতে চাইতাম না। বিয়ের পর থেকেই টানা ৬ বছর আমি নির্যাতনের শিকার হয়েছি।

‘মীম জানালেন, ” শারুন সংবাদমাধ্যমকে আমার চরিত্র নিয়ে মিথ্যা কথা বলছেন। সে আমাকে নির্যাতন করছিল মা-বাবার সামনেই। আমার প্রতি নির্যাতনের কথা ওই বাড়ির আত্মীয়-স্বজন প্রায় সবাই জানতেন। পটিয়ায় ওদের গ্রামের বাড়ির সবাই জেনেছিলেন।

শারুন মেরে আমার মুখ থেঁতলে দিয়েছিল। আমি সেই অবস্থাতেই ঢাকার বাসা থেকে গ্রামের বাড়ি যাই। আশপাশের প্রতিবেশীরা তখন জিজ্ঞেস করেছিলেন আমার ‘মুখের এ অবস্থা কেন ?’ আমি তাদের পরিস্কার করে জানিয়ে দেই যে, আপনারা শারুন থেকে জিজ্ঞেস করেন।

মীম বলেন, ‘ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। বুঝিনি শারুন এত বদরাগী। তার ভয়াবহ নির্যাতনের অনেক তথ্য প্রমাণ আমার কাছে আছে। সময় হলেই সব প্রকাশ করব। দিনের-পর-দিন নির্যাতনের পরও আমি সংসার টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম । আমার কন্যার ভবিষ্যতের কথা ভেবেছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই শারুণ আমাকে নির্যাতন করতো। শুধু আমাকে নির্যাতনই করেনি, আমার শিশু সন্তানকে আমার কাছ থেকে দিনের-পর-দিন দূরে রেখেছে, আটকে রেখেছে। এমনকি মোবাইল ফোনে কথাও বলতে দেয়নি। শারুণ এখন মিথ্যাচার করে বলে, আমাকে নাকি ডিভোর্স দিয়েছিল। আসল সত্য হলো, আমিই তাকে ডিভোর্স দিয়েছিলাম।’

শারুনের এই সাবেক স্ত্রী আরও বলেন, ‘গত প্রায় এক বছর নানা অনুনয়-বিনয় করার পরও আমার ছয় বছর বয়সী একমাত্র সন্তান সাইশার সঙ্গে আমাকে এক মিনিটের জন্য দেখা করতে দেননি শারুন। উল্টো আমার মেয়েকে দিনের পর দিন আমার বিরুদ্ধে বুঝানো হচ্ছে। ওকে (মেয়েকে) মানসিক ভাবে ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে। আমার প্রতি বিদ্বেষ তৈরি করা হচ্ছে। তার (শারুনের) মা, বোন ও আত্মীয়রা আমার মেয়েকে আমার চরিত্র নিয়ে পর্যন্ত ভুল বোঝাতে শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি নিয়মিত যোগাযোগের জন্য আমার বেবিকে আইপ্যাড কিনে দিয়েছিলাম। ওরা সেটি লক করে রেখেছে। আমি মোবাইল ফোনে একটু কথা বলতে চাইলেও বলতে দেয়নি। আমার মেয়েকে ওরা নানা ভাবে টর্চার করেছে। আমার মেয়েকে কীভাবে যে ওরা টর্চার করেছে, তার প্রমাণও আমার হাতে আছে।’

মীম বলেন, ‘গত প্রায় এক বছর আমার মেয়ের সঙ্গে কোন যোগাযোগ করতে না দিলেও কলেজ শিক্ষার্থী মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনার পরে চ্যাটের স্ক্রিনশট ভাইরাল হলে আকস্মিক ভাবে আমাকে একটু করে কথা বলতে দেয় শারুণ। এতে খানিকটা বিস্মিত হয়েছি। তবে কথা বলে বুঝলাম, আমার মেয়েকে ওরা দিনের পর দিন ভুল বুঝিয়েছে। আমার বেবিটা কিছু বলার আগেই পাশ থেকে শারুণ কথা বলছে। ওকে (মেয়েকে) থামিয়ে দিচ্ছে। ওকে স্বাভাবিক পরিবেশে আমার সঙ্গে কথা বলার সুযোগটুকুও দেওয়া হচ্ছে না।’

বুধবার রাতে এমন সব তথ্য দেন শারুনের সাবেক এই স্ত্রী। ওই দিন সকাল থেকেই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারুনের আলোচিত সেই সব স্ক্রিনশট ভাইরাল হতে থাকে।

সোমবার রাতেও শারুনের সাবেক স্ত্রী জানান, ওই রাত পর্যন্ত শিশু কন্যার সঙ্গে কথা বলতে দেয়া হচ্ছিল না। ঠিক ওইদিনই ওই ছাত্রীর মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়।

সঙ্গত কারণেই অনেকের ধারণা, ওই আত্মহত্যার নেপথ্যে প্ররোচণায় জড়িত হিসেবে আলোচনায় আসার কারণে এই সময়ের মধ্যে সাবেক স্ত্রীকে ঘিরে কোন অভিযোগ আসুক তা চান না শারুন। তাই হয়তো আগের চেয়ে একটু নমনীয় ভাবে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। মায়ের কাছ থেকে আটকে রাখা শিশু কন্যাকে মায়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন পরে হলেও কথা বলার সুযোগ দেন।

শারুনের সাবেক স্ত্রীরও ঠিক এমনটিই ধারণা।

মীম জানান, শারুনের সঙ্গে মুনিয়ার আগের যোগাযোগ ছিল বলেই বুধবার আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলতেই ওই মেয়েটির (মুনিয়ার) প্রসঙ্গ তুলে আনে।

এক বছর আগের পরিচয়- আলাপচারিতা পুরানো প্রসঙ্গ টেনে এনে বিষয়টি তুলতে চাইলে শারুনকে আমি স্পষ্ট বলে দেই যে, ‘আমার এখন ওসব শোনার টাইম নাই। মেয়েকে দাও, মেয়ের সাথে কথা বলতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘ভাইরাল হওয়া চ্যাটের স্ক্রিনশটে আমার চরিত্র নিয়ে ওদের (শারুন ও মুনিয়ার) কথাবার্তার বিষয়টি আমি বুধবার জানতে চেয়েছিলাম।’

হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটের বিষয়ে জানতে চাইলে মীম বলেন, আমি তাকে (শারুনকে) প্রশ্ন করেছিলাম, ‘ওই চ্যাটে আমাকে ‘ক্যারেক্টার ল্যাস’ কেন বললে? বলতে পারলে কীভাবে!?’

উত্তরে শারুন দাবি করে, ওসব চ্যাটের স্ক্রিনশট ভুয়া। মুনিয়ার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কোন চ্যাট হয়নি, তবে মেসেঞ্জারে চ্যাট হত, কথা হত।’

শারুন-মুনিয়ার চ্যাট ভাইরাল হওয়ার পর কোন কোন সংবাদমাধ্যমকেও শারুন এই চ্যাট ‘ভুয়া ‘ বলে দাবি করেন।

মীম বলেন, ‘শারুনের সঙ্গে আরও অন্তত এক বছর আগে থেকেই মুনিয়ার যোগাযোগ ছিল। এ বিষয়টি আমিও জানতাম। শারুণ নিজেই তখন মুনিয়ার সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি আমার কাছে স্বীকার করেছিল।’

অনেকের মত মীমেরও ধারণা, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে কী হয়েছিল না হয়েছিল তা অস্বীকার করলেও মেসেঞ্জারে কী কথা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখলে আরও অনেক কিছু পরিস্কার হতে পারে।

ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটের কথোপকথন কত তারিখের, তা স্পষ্ট নয়। সময় বিকেল ৫টার কিছু আগে। খুদে বার্তার ওই কথোপকথনে মোসারাত মুনিয়া শারুনকে লেখেন, তিনি ভালো নেই। এরপর লেখেন, উনি তো আমাকে বিয়ে করবে না। কী করব আমি? জবাবে শারুন লেখেন, আগেই বলেছিলাম, ওর কথা শুইনো না। ও আমার বউকে বলছে বিয়ে করবে, কিন্তু করে নাই। মাঝখানে আমার মেয়েটা মা ছাড়া হয়ে গেছে। যদিও আমার বউ একটা খারাপ চরিত্রের মেয়ে।’
তবে এ বার্তা আলাপে কোথাও আনভীরের নাম উল্লেখ করেননি কেউ।

ধারণা করা হচ্ছে, কথোপকথনটির সত্যতা রয়েছে।

মীম জানান, ‘শারুন আমাকে বলেছিল, আমার নামে কোন খারাপ কথা বলেনি কোথাও। অথচ অথচ সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একের মিথ্যে বলে যাচ্ছে যাচ্ছে। ফেসবুকে নিজেই কিছু দিন আগে ও (শারুন) লিখেছে যে, দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মেয়েকে ওদের কাছে রাখবে। আসলে এমন কোন সমঝোতাই হয়নি। এটা ডাহা মিথ্যে কথা লিখেছে। এত কিছুর পরেও আমি তাদের সঙ্গে কোন দিন বড় গলায় কথা বলিনি।

ওরা আমার সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলে বেড়ায়। মেয়েটাকে রেখে দিয়ে শারুন বলে, ‘কান টান দিলে না কি মাথা আসে। মেয়েটাকে পুঁজি করে আমাকে মানসিক চাপ দেয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের এক সংবাদ মাধ্যমে দেখলাম, বলা নেই, কওয়া নেই, কোন প্রাসঙ্গিকতা ছাড়াই মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্টের ভেতর মন্তব্য করতে গিয়ে শারুন হঠাৎ করে আমার মেয়েকে আমার কাছে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করে।

এক প্রশ্নের জবাবে মীম বলেন, ‘শারুণ নিজেকে লন্ডনে ল’ পাস করেছে বলে দাবি করলেও তার কনভোকেশনের কোন ছবি নেই। তার কোন সার্টিফিকেট বা ওই পাশের স্বপক্ষে কোন ছবি কাগজপত্র কোন দিন দেখাতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘২৫ লাখ টাকার সেই কাবিনের টাকার মধ্যে ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার উসুল দেখানো হয়। বাকি টাকাটার এক টাকাও দেননি এখনও। আমার বিয়ের কাবিন ২৫ লাখ টাকা হলেও ওর যেই বোনটির বিয়ে হয়েছিল সেই বোনের জামাইকে ওরা মিথ্যে কথা বলে বলেছিল যে, আমার কাবিন হয়েছে এক কোটি টাকা। তারা মিথ্যে কথা বলে ওই বোনের কাবিন ধরে ছিল এক কোটি টাকা।

তিনি বলেন, ‘ওর পুরোটাই মিথ্যাচারে ভরা। ওরা এত মিথ্যা কথা বলে আর বড় গলা করে কথা বলে যেন ‘চোরের মায়ের বড় গলা’। ওদের অন্তত ১০০এর বেশি ফেসবুকের ফেক প্রোফাইল আছে।’

সংসার ভাঙ্গার এক বছর আগে থেকেই বসুন্ধরা গ্রপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মীম বলেন, ডিভোর্সের পর আমার ক্যারেক্টার নিয়ে এত কথা কেন? শারুন এমন অভিযোগ করেই অপরাধ থেকে মুক্তি পেতে চায়। এখন ও আমাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। তাদেরকে (বসুন্ধরাকে) তো গুলি করতে পারবে না। আমাকে অস্ত্র করে, আমাকেই পুঁজি করে পার পেতে চায়।’

এর কারণ হিসেবে মীম বলেন, কখনো আনভীর, কখনো হাজী সেলিমের পুত্রকে জড়িয়ে আমাকে অপবাদ দিয়েছে শারুন। ডিভোর্সের প্রায় এক বছর আগে থেকেই আমি বাবার বাড়িতে ছিলাম। ওর অত্যাচারে সংসার যখন টিকছে না, ডিভোর্স যখন হয়ে গেছে, তখন আমি কার সঙ্গে প্রেম করি, কার সঙ্গে সম্পর্ক রাখি, কার সঙ্গে বা কাকে বিয়ে করি বা করব, সেটি তো আমার ব্যক্তিগত বিষয়। সেসব নিয়ে আমার প্রাক্তন স্বামীর বলার কিছু নেই। শারুন যদি আনভিরের সঙ্গে আমার যোগাযোগ বা সম্পর্ক নিয়েই আমার দোষ খুঁজতে যায়, তাহলে বলতে হয়, হাজী সেলিমের পুত্রের সঙ্গে জড়িয়ে কেন আমাকে দোষারোপ করেছিল ?’

প্রসঙ্গক্রমে মীম বলেন, ‘কারো সঙ্গে যোগাযোগ থাকাটা দোষের কিছু নয়।’

তিনি বলেন, ‘মুনিয়ার সঙ্গে আমারও যোগাযোগ হয়েছিল….।’

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »