দাদন খালিফার হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে মালয়েশিয়ায় মানববন্ধন

মালয়েশিয়া থেকে মোস্তফা ইমরান »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শরিয়তপুরের পালং থানার গয়ঘর গ্রামের বাসিন্দা দাদন খালিফার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

সোমবার মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন শেষে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি জানিয়ে হাইকমিশন বরাবর স্মারকলিপিও জমা দেন তারা।

হাইকমিশনের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান রুহুল আমিন স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

এক বুক স্বপ্ন নিয়ে প্রবাসে আসা দাদন খলিফা দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর পর মালয়েশিয়া থেকে দেশে যান জীবন সঙ্গী খুঁজতে। পরিবারের সিদ্ধান্তে সঙ্গী খুঁজে পেলেও সন্ত্রাসী হামলায় জীবনের মায়া ছেড়ে যেতে হলো পরপারে।

মানববন্ধনে নিহত দাদন খালিফার বড় ভাই মালয়েশিয়া প্রবাসী সালাম খলিফা বলেন, বিয়ের কয় দিন পরই ভাইকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এখন এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায় বিচার নিয়ে আমরা শঙ্কিত। আসামিরা প্রভাব খাটিয়ে মূল ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।

এ সময় হত্যার নির্দেশদাতা ইস্কান্দার সরদার ও তার পালিত সন্ত্রাসীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানান সালাম খলিফা। ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় হাইকমিশনের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণও করেন তিনি।

কমিউনিটি নেতা ও মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অহিদুর রহমান অহিদ বলেন, একজন রেমিটেন্স যোদ্ধার এ পরিণতি খুবই কষ্টদায়ক। যারাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার দাবি জানান তিনি।

কোতারায়া বিজনেস কমিউনিটির সভাপতি ও কমিউনিটি নেতা রাশেদ বাদল বলেন, দাদন খলিফাকে যারা হত্যা করেছে তারা সমাজের যত প্রভাবশালীই হোক না কেন তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অপরাধীদের এ ধরনের আপরাধ করার প্রবণতা বেড়ে যাবে।

শ্রমিক নেতা নাজমুল ইসলাম বাবুল বলেন, একজন রেমিটেন্স যোদ্ধাকে প্রকাশ্যে নির্যাতন করে হত্যা করা হলো আবার তার পরিবারকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে। আমরা প্রবাস থেকে এ ঘটনার তদন্ত স্বাপেক্ষে ন্যায় বিচার চাই।

দাদন খলিফা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া থেকে দেশে যান। প্রায় ৬ বছর পর দেশে ফিরে বিয়েও করেন তিনি। বিয়ের সপ্তাহ না পেরোতেই ১৫ এপ্রিল রাতে বাড়ি ফেরার পথে প্রথমে কুপিয়ে ও পরে গুলি করা হয় তাকে। রাতে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকায় নেয়ার পথে মৃত্যু তার হয়। তবে মারা যাওয়ার আগে পুলিশের কাছে দেয়া জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের বিবরণ ও হামলায় অংশ নেয়া সকলের নাম বলে গেছেন দাদন খলিফা।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »