তেহরানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের বাংলা নববর্ষ উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অনলাইনে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে তেহরানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।

ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এএফএম গওসাল আযম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক, ইরানে অধ্যয়নরত বাঙালি শিক্ষার্থী, ইরানি সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক দেশের কণ্ঠের সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির জাতীয় উৎসব, অসাম্প্রদায়িক সার্বজনীন উৎসব। এটি ধর্মভিত্তিক নয়। কিন্তু পাকিস্তান আমলে এটাকে হিন্দুদের উৎসব বলে প্রচার করা হত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেন। অন্যদিকে অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি বাঙালি জাতীয়তাবাদকে শক্তি যোগায়।

ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ এফ এম গওসোল আযম সরকার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানে ইরানে বসবাসরত সিনিয়র সাংবাদিক এজাজ হোসেন, দূতালয় প্রধান মো. হুমায়ুন কবির, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর ড. জুলিয়া মঈন, ইরানি সাংস্কৃতিক কর্মী মাসিহ মীর হোসাইনি, ফার্সি একাডেমির সদস্য ড. রহিমি, বাংলাদেশে অধ্যয়নরত ইরানি শিক্ষার্থী এস. সারা নাযাফি প্রমূখ আলোচনায় অংশ নেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবি ড. সাহাদ চৌধুরি, কবি ও সাংবাদিক নাসির মাহমুদ, ছড়াকার সৈয়দ মুসা রেজা, আমির হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম স্বরচিত কবিতা ও ছড়াপাঠ করেন।

শিশুদের অনুষ্ঠানে সারা আযমী এবং এসএম সিফাত হোসেন নৃত্য পরিবেশন করেন। গাজী রোদসী স্বপ্নীল এবং ফেরেশতা জাহরা কবিতা আবৃতি করেন।

সভাপতির ভাষণে ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ এফ এম গওসোল আযম সরকার সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীর প্রেক্ষাপটে এবারের নববর্ষ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু মনে প্রাণে আপাদমস্তক বাঙালি ছিলেন। তার জীবন বাঙালি সংস্কৃতির আদর্শ উদাহরণ।

রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন যে, হাজার বছর ধরে বাঙালি জাতি নববর্ষ পালন করে আসছে। বিশ্ব সংস্কৃতিতে এর গুরুত্ব অনুধাবন করে ২০১৬ সালে ইউনেস্কো বাংলা নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সংস্কৃতির ইনট্যানজিবল হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান ও নথিভুক্ত করে।

বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের অনুষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য ও স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহনসহ অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »