চিতলমারীতে ঘূর্ণিঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

চিতলমারী (বাগেরহাট) থেকে অলোক »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রবিবার রাতেরি ঘুর্নিঝড়ে সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাটের চিতলমারীতেও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি আফিস সূত্রে জানাযায়, এ বছর চিতলমারী উপজেলার ২১টি ব্লকে বোরো ধান চাষ করেছে কৃষকরা। ৭ ইউনিয়নের ২১টি ব্লকে ২৮হাজার ৫২৮ একর জমিতে হাইব্রিড ও ৩৮৩একর জমিত উফশী জাতোর ধান চাষ হয়েছে। ৩০হাজার পরিবার ধান চাষে জড়িত।

একদিকে মৌয়া পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক। কোন ভাবেই ঔষধ, ছাই দিয়ে কারেন্ট বা মৌয়া পোকাকে দমনে আনা যাচ্ছেনা। দিনকে দিন ক্ষেতের অবস্থা খারাপ হচ্ছে। সে সময় কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়ে তছনছ হয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন। ক্ষেতের ধান পরিপক্ক হবার পূর্বে হঠাৎ ঝড়ে ধানগাছ গুলোর পাতা রৌদ্রে শুকিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় কৃষক রাসমোহন বলেন ঝড়ো বাতাসে আমার দুইবিঘা জমির ধান অর্ধেক বাড়িতে আসবেনা। যার অর্ধেকাংশ চিটা হয়ে যাবে। এবার ধান চাষে খুব লস হবে।

কৃষক জগো বিশ্বাস এই বাংলারকন্ঠকে বলেন, আমরা বিলে জমি দেরি করে লাগাই। ধান নামিতে বের হবার সময় ঝড়ো বাতাসে ধান চিটা হবে অর্ধেক বা তারো বেশি। আনেকে আবার ধান কাটতে পারবে না। ক্ষতি যা হবার হয়েছে, এখন আমাদের ক্ষতিটা যদি সরকারী ভাবে কিছু অনুদান দিয়ে পুষিয়ে নেওয়া যেতো।

এছাড়া বিভন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ক্ষেতের ধান গাছের পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের উপ সহকারী কৃষিকর্মকর্তা (ব্লক সুপারভাইজার) শংকর মজুমদার ও মৃদুল বিশ্বাস বলেন, ঝড়ে প্রচন্ড ক্ষতি হয়েছে কৃষকের। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি, ক্ষতির পরিমান খুব বেশি।

এ ব্যাপারে কৃষিকর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার বলেন প্রাকৃতিক দূর্যোগ কাউকে বলে আসে না। ঝড়ে কৃষকের ক্ষতি হয়েছে যা পুরণ করতে কৃষকদের সামনের বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। সাময়িক ভাবে ক্ষতিটা কৃষকরা অন্য ফসল চাষাবাদ করে কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবে বলে আমি আশা করি।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »