গলাচিপা-পানপট্টি সড়কটি যেন মরণ ফাঁদ

গলাচিপা (পটুয়াখালী) থেকে পলাশ হাওলাদার »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পটুয়াখালীর গলাচিপা-পানপট্টি সড়কটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এ সড়কটি রাঙ্গাবালী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের জনগণের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।

খানা-খন্দে ভরা দক্ষিণ পানপট্টি থেকে গলাচিপা পৌর শহরের সীমান্ত পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার সড়ক। সড়কের কার্পেট ওঠে গেছে। অনেক স্থানে ইটের খোয়াও নেই। সড়ক নির্মাণের সময় ব্যবহৃত বালুর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। কিছু কিছু স্থানের খানা-খন্দ হাটু সমান গভীর। সড়কে যাতায়াতকারী যানবাহন এ কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনায় কবলিত হয়। আহত হয় যাত্রীরা।

এদিকে, দুই বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সড়কটি সংস্কার করে। দুই বছরেই সড়কটির এ বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ওই সময়ের পর থেকেই সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করতে তৎকালীন সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আধা সরকারিপত্র সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রেরণ করেন। সড়কটি সংস্কারে দায়িত্ব ন্যাস্ত হয় সড়ক ও জনপথ বিভাগে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ আজ পর্যন্ত এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি উন্নয়নে কোন কাজই করেনি।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রেকৌশলী শাহ মো. সান মোকাদ্দেস জানান, ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বরাবর এ সড়কটি উন্নয়নে চিঠি দেয়া হয়েছে। অতি দ্রুত সড়কটি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিষ কুমার জানান, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি নির্মাণ অত্যন্ত জরুরী। এ ব্যাপারে একাধিকবার সড়ক ও জনপথ বিভাগকে তাগিদ দেয়া সত্বেও কোন অগ্রগতি নেই। এ সড়ক দিয়ে গলাচিপা উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ছাড়াও রাঙ্গাবালী উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন চরমোন্তাজ, ছোটবাইশদিয়া, বড়বাইশদিয়া, চালিতাবুনিয়া, রাঙ্গাবালী সদরের মানুষ যাতায়াত করে। এ জন্য সড়কটি রাঙ্গাবালী উপজেলার মানুষের কাছে এক সময়ের উপজেলা গলাচিপা, জেলা সদর পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের প্রবেশদ্বার হিসেবে বিশেষ ভাবে পরিচিত।

এক দশক আগে রাঙ্গাবালী উপজেলা স্থাপিত হলেও সেখানে এখন পর্যন্ত সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, প্রাণিসম্পদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর এখনও নির্মিত হয়নি। এ কারণে স্বাস্থ্যসেবা, জমি বেচাকেনার ও অন্যান্য দফতরের কাজের প্রয়োজনে গলাচিপা উপজেলা সদরে আসতে হয়। তখন এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারীদের ভোগান্তী পোহাতে হয়।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »