কৃষি অফিসের বীজ রোপণে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত

তালতলী (বরগুনা) থেকে বেল্লাল হোসেন »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বরগুনার তালতলী উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া বীজ রোপণ করে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তালতলীর বড় বগী, ছোট বগী, পচাকড়ালিয়া, কড়ইবাড়িয়া ও সারিকখালীসহ উপজেলার সকল ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে দেয়া সরকারি বাদাম, সূর্যমুখী ও ভুট্টার বীজের চারা গজায় নি।

কৃষকদের অভিযোগ, ভালো ফলন পাওয়ার আশায় প্রতি বছর আমরা ফসলি জমিতে হাইব্রিড জাতীয় বীজ রোপণ করে থাকি। এ বছর কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ দেয়া হয়েছিল। আমরা ফসলি জমিতে বীজ রোপণ করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বীজের চারা গজায়নি। কিন্তু যারা দোকান থেকে বীজ কিনে রোপণ করেছেন তাদের সকলের বীজের চারা গজিয়েছে।

কৃষি অফিস থেকে আমাদের নিম্নমানের বীজ দেয়ায় জমি চাষাবাদ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।

এলাকাবাসী জানায়, সরেজমিনে তদন্ত না করে কৃষি অফিস বীজ দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে এমনও হয়, যাদের জমি নেই তারা কৃষি অফিসের অনুদান পায়, যাদের জমি আছে তারা অনেকেই সরকারি এ অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষি উৎপাদন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কৃষকদের উৎসাহিত করতে কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিভিন্ন বীজের কিংবা অর্থের বরাদ্দ দিয়ে থাকেন। কেজিপ্রতি ১ হাজার ৪শ টাকা বরাদ্দ থাকলেও উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদেরকে অতি নিম্নমানের একটি বীজ দেয়া হয়েছে। যার বাজার মূল্য হতে পারে ৩শ থেকে ৩২০ টাকা। যার নাম জেবিএস সিড। চারা না গজানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

খামার বাড়ি বরগুনা থেকে জানা যায়, কৃষকদের মাঝে ৩ ভাগে (প্রণোদনা, পুনর্বাসন, প্রদর্শনী) বীজ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য থেকে শুধু প্রদর্শনী বীজটি বিএডিসি থেকে সরবরাহ করা হয়। বাকিগুলো সরকারি বরাদ্দকৃত উপজেলায় দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, বীজ রোপণে কৃষকদের অভিজ্ঞতা নেই। যার কারণে এমনটা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লবনাক্ত মাটির কারণে বাদাম, সূর্যমুখী বীজের চারা গজাতে ব্যার্থ হয়েছে।

দোকান থেকে কেনা বীজের চারা গজিয়েছে কিভাবে?- এমন প্রশ্নে তিনি সরেজমিনে দেখতে যাবেন বলে অন্য প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »