‘করোনায় প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধিতে খানিকটা ভাটা পড়বে’

অনলাইন ডেস্ক »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘চলতি বছর করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে সব পরিকল্পনা ও প্রত্যাশাকে নস্যাৎ করে দেওয়ায় প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধিতে খানিকটা ভাটা পড়বে।’

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশের জনগণসহ দেশ ও বিশ্ববাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বিগত এক বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্ব এক গভীর সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। করোনা মহামারি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা সম্পন্ন এ ভাইরাস একদিকে যেমন অগণিত মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, অন্যদিকে ক্ষতিসাধন করছে মানুষের জীবন-জীবিকার। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং অর্থনীতির উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এ ভাইরাস।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘গত বছরের শেষ দিকে যখন বিশ্বব্যাপী সংক্রমণ অনেকটা কমতে শুরু করেছিল, তখন সবার সঙ্গে আমরাও আশান্বিত হয়েছিলাম যে বিশ্ববাসী বুঝি এ মহামারি থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। কিন্তু মার্চের মাঝামাঝি থেকে দ্বিতীয় ঢেউ আমাদের সব পরিকল্পনা ও প্রত্যাশাকে নস্যাৎ করে দেয়। জনগণের সহযোগিতায় এবং আমাদের সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে আমরা বিগত এক বছর করোনা মহামারিজনিত আর্থিক অভিঘাত খুব ভালো ভাবেই সামাল দিতে পেরেছি। আমরা যখন প্রথম ঢেউ সামলিয়ে অর্থনীতিকে আগের অবস্থার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে আসার পর্যায়ে, তখনই মার্চে দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হেনেছে। এতে করে আমাদের প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধিতে হয়তো খানিকটা ভাটা পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘তবে আমাদের অভ্যন্তরীণ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার হিসেবে এবারও আমরা আশানুরূপ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হবো। গত সপ্তাহে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে। চলতি বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলন হয়েছে। বেশির ভাগ ধান এরই মধ্যে চাষি ভাইদের ঘরে উঠেছে। সুষ্ঠু ভাবে ধান কাটা-মাড়াইয়ের জন্য আমরা সাশ্রয়ী মূল্যে হারভেস্টার বিতরণ অব্যাহত রেখেছি। আওয়ামী লীগ এবং এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের (ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, যুব লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ) নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় কৃষকদের ধান কাটতে সহায়তা করছে। পবিত্র রমজান মাসে আমাদের দলের কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ইফতার এবং সেহরি বিতরণ করেছে। চাষি ভাইয়েরা যাতে তাদের উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য পান, সে জন্য এবার চালের সংগ্রহ মূল্য কেজি প্রতি ৪০ টাকা এবং ধানের মূল্য ২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »