অবৈধ ইট ভাটায় হুমকিতে ফসলি জমি

তালতলী (বরগুনা) থেকে বেল্লাল হোসেন »

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বরগুনার তালতলীতে আইনের তোয়াক্কা না করে ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া ফসলি জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে ইট ভাটা। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির পাশাপাশি চরম ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের।

একইসঙ্গে উজাড় হচ্ছে বন ও ফসলের জমি। বছরের পর বছর ধরে চলছে এভাবেই।

উপজেলার করইবারীয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাড়াখালী গ্রামে ইট ভাটায় পুড়ছে হাজার হাজার মণ কাঠ। ফলে উজাড় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ ফসল, ঔষধিসহ নানা প্রজাতির গাছ। লোকালয়ে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি ঝাড়ালালী গ্রামের ফসলি জমির বড় একটি অংশের উপর নির্মিত হয়েছে হোসেন ব্রিকস (এইচবিএ)।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হোসেন ব্রিকসে (এইচবিএ) দেদারছে চলছে ইট পোড়ানোর কাজ। ভাটাটিতে প্রায় শতাধিক শ্রমিক কাজ করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই এলাকার কয়েক জন কৃষক জানান, এই অবৈধ ইট ভাটার কারণে এ এলাকার ফসলি জমি ব্যাপক হুমকির মুখে পড়েছে। আশপাশের বসতবাড়ির গাছপালাও মরে যাচ্ছে। এলাকায় শিশু থেকে বৃদ্ধ মানুষের মধ্যে শ্বাসকষ্ট রোগ দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভাটার মালিক মো. হোসেন প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে ভাটার মালিক মো. হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি রাজি হননি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ ঝাড়াখালী গ্রামে ইট ভাটার কারণে ফসলী জমি হুমকির মুখে পড়েছে। ওই এলাকার কৃষকরা তাদের জমিতে বছরে একবার ফসল চাষ করে। কিন্তু ইট ভাটা বন্ধ হলে দুই বা তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব। এছাড়া এই ইট ভাটার কারণে স্থানীয় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কায়সার হোসেন জানান, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা এলে যদি অবৈধ হয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান মুঠোফোনে জানান, দ্রুতই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ইট ভাটাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »