Koyra Hospital

‘পুলিশ বাহিনীতে মাদকসেবীদের জায়গা হবে না’

ফিরোজ মাহমুদ »

  • Spread the love
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  

    পুলিশ বাহিনীতে মাদক সেবীদের কোন জায়গা হবে না বলে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

    বুধবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘শুধু পাহারা দিয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করতে হবে। আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ‘

    আরও পড়ুন >> জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা বৃহস্পতিবার

    তিনি বলেন, ‘বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হবে। এর মাধ্যমে প্রচুর তথ্য পাওয়া যায় যা সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

    শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি তৎপর হতে হবে। মাদক শুধু উদ্ধার করলে হবে না, এর ‍রুট পর্যন্ত যেতে হবে। প্রযুক্তিগত পদ্ধতি প্রয়োগের পাশাপাশি ম্যানুয়াল সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে বস্তিসমূহ মাদকমুক্ত করত হবে। মাদকসেবীদের চিহ্নিত করে তাদের মা-বাবা, অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তারা যেন সুপথে ফিরে আসতে পারে তার জন্য কাজ করতে হবে।’

    আজ রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ডিসেম্বর’ ২০২০ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উত্তম কর্ম সম্পাদনের প্রেক্ষিতে পুরস্কৃত করা হয়।

    ডিসেম্বর ২০২০ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির ৮টি ক্রাইম বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে মিরপুর বিভাগ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্রাইম বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মিরপুর বিভাগের মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার এমএম মঈনুল ইসলাম।

    কুরআন তিলাওয়াত ও নামাজ পড়ার রাশিয়ান পুতুল

    অফিসার ইনচার্জদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন মীর। পুলিশ পরিদর্শক তদন্তদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহীনুর রহমান। পুলিশ পরিদর্শক অপারেশনদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন আদাবর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ফারুক মোল্লা। শ্রেষ্ঠ এসআই যৌথ ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন পল্লবী থানার এসআই মো. শরীফুল ইসলাম ও কোতয়ালী থানার এসআই পাভেল মিয়া। শ্রেষ্ঠ এএসআই যৌথ ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ওয়ারী থানার এএসআই মো. নুর ইসলাম ও মতিঝিল থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন।

    ৯টি গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার মো. গোলাম সাকলায়েন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, গুলশান জোনাল টিম, ডিবি গুলশান। চোরাই গাড়ি উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার মধুসূদন দাস, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম, ডিবি-লালবাগ।

    মাদকদ্রব্য উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার মো. গোলাম সাকলায়েন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, গুলশান জোনাল টিম, ডিবি গুলশান। অজ্ঞান/মলম পার্টি গ্রেফতারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার তরিকুর রহমান, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, ধানমন্ডি জোনাল টিম, ডিবি-রমনা।

    ৮টি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার বিমান কুমার দাস কোতয়ালী ট্রাফিক জোন। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কাজী আমিনুল ইসলাম, কোতয়ালী ট্রাফিক জোন। শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট যৌথ ভাবে সার্জেন্ট মো. রোকনুজ্জামান শাহবাগ ট্রাফিক জোন ও সার্জেন্ট আব্দুল কাদের মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোন।

    এছাড়াও, ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার ৫৮ জন কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার। বিশেষ ক্যাটাগরিতে প্রসিকিউশন বিভাগ, আইএডি বিভাগ, উপ-পুলিশ কমিশনার, (স্পেশাল এ্যাকশন গ্রুপ বিভাগ) ও উপ-পুলিশ কমিশনার, (ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগ) দেরকে পুরস্কৃত করা হয়।

    এছাড়াও, বিট পুলিশিং কার্যক্রম সংক্রান্ত ৫ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

    এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণ পদ রায়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • শেয়ার করুন »

    মন্তব্য করুন »