Koyra Hospital

মানবিক পুলিশের দৃষ্টান্ত ওসি রবিউল

দেশের কণ্ঠ প্রতিবেদক : »

  • Spread the love
    •  
    •  
    •  
    • 0
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  

    পুলিশ নিয়ে অনেকের বিরূপ ধারণা থাকলে ও খুলনা জেলার কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন সে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন। অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন একজন ব্যতিক্রমধর্মী মিষ্টভাষি পুলিশ অফিসার। প্রতিনিয়ত তিনি সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে পরস্পরের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন জনগন ও দেশের কল্যাণে। “পুলিশ জনগণের বন্ধু” তিনি এই বাক্যটির উৎকৃষ্ট নিদর্শন। তিনি অন্যতম একজন আদর্শ পুলিশ অফিসার যিনি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আধুনিকতা, প্রযুক্তি ও সততা এবং মেধার দক্ষতা দিয়ে অপরাধ দমন করার চেষ্টা করেন দেশের কল্যাণে। “পুলিশ জনতার, জনতা পুলিশের” এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন এই পুলিশ অফিসার। অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন খুলনা জেলার কয়রা থানার মানুষের চোখে একজন সৎ, আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ ও গরিবের বন্ধুসুলভ পুলিশ অফিসার। অধিকাংশ মানুষই তাকে গরিবের আস্থার শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। তিনি তাঁর সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, বিচক্ষণতা, বুদ্ধিমত্তা এবং মেধার বিকাশে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখল বাজদের হাত থেকে মুক্ত করেছেন। তার চোখে ধনী-গরিব, রিক্সাচালক হতে সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বেশে মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়ে মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনেছেন। তিনি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তাই নন পাশাপাশি অনেক সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ও অবদান রেখেছেন। জানা গেছে, অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন পুলিশে যোগদানের পর থেকেই তিনি একে একে অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে থাকেন। তিনি সাব-ইন্সপেক্টর পদে দায়িত্বে থাকাবস্থায় কয়েকটি মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন। তার সুনিপুণ দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্তের ফলে দোষীরা খুব দ্রুতই আইনের আওতায় চলে আসে এবং তাদের শাস্তিও হয়। তাঁর দায়িত্বরত এলাকার লোকজন বলেন, তিনি একজন সৎ ও অন্যায়ের কাছে আপোষহীন পুলিশ অফিসার। তিনি আমাদের বন্ধু, তার অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ আমাদের এলাকা মাদক, চাদাঁবাজ, দখলবাজ, ইভটিজার, জঙ্গি, মিথ্যা মামলায় হয়রানী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মুক্ত। তারা আরো বলেন, তাঁর মতো একজন সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বজ্রকণ্ঠী আওয়াজ তোলা পুলিশ অফিসার পেয়ে আমরা সত্যিই ধন্য। অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার গণমানুষের বন্ধু, সরকার আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষের মুখেহাসি ফোটাতে তাদেরকে হেফাজত করতে, মানুষের সাথে মিলেমিশে তাদের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে। আমরা মানুষের অতন্ত্র প্রহরী আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাদাঁবাজ, ইভটিজার মুক্ত করে মানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনা। আমার কাছে ধনী-গরিব, রিক্সাচালকসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। একজন নির্যাতিত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হলো পুলিশ। আর আমরা যদি তাদের আশ্রয় এবং তাদের সমস্যা নিরসন না করি তাহলে কে করবে। “পুলিশ জনতার এবং জনতা পুলিশের” আমি এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবং সাধারণ মানুষের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে মাদক, জঙ্গি, সন্ত্রাসমুক্ত করতে এগিয়ে যাব। তিনি আরো বলেন, আমরা অতন্ত্র প্রহরী হিসাবে রাত জেগে থাকি শুধু জনগণ শান্তিতে ঘুমাবে বলে, আমাদের ঈদের ছুটিও নেই শুধু জনগণ যাতে তাদের এই ঈদকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল এবং শান্তিতে কাটাতে পারে। কত পুলিশ অফিসার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন দেশকে জঙ্গি, সন্ত্রাস মুক্ত করতে। আমি একটি কথা বলবো জনগণের উদ্দেশ্যে-আপনারা পুলিশ কে নিজের বন্ধু ভাবুন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশ জনগণের শুধু বন্ধুই নয়, সেবকও। পুলিশ সব সময়ই জনগণের বন্ধু হিসেবে জনগণের পাশে ছিল এবং আগামীতেও থাকবে। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের পক্ষে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সেবা দেয়া সম্ভব নয়। এলাকাবাসির অভিমত, জীবন সংগ্রামকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন সঠিক মানুষের সঠিক পুলিশ অফিসারের। যে দিন বাংলাদেশের প্রতিটা থানায় একজন করে এমন অফিসার ইনচার্জ থাকবেন সেদিনই বাংলাদেশ হয়ে উঠবে নিরাপদ, সুন্দর এবং শান্তিময় দেশ। কয়রা থানার এসআই আসাদুল ইসলাম বলেন, রবিউল হোসেনের স্যারের মত একজন অভিভাবক পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। তারমতো দক্ষ, সৎ ও কর্তব্যপরায়ন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য গর্ব। প্রতিটি অপরাধ দমনে স্যারের মতো পুলিশ অফিসারের সান্নিধ্য পেলে অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যাপক অগ্রগতি হবে।বর্তমানে ওসি রবিউল হোসেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে খুলনার কয়রা থানা পুলিশ এখন উপজেলার সর্বত্রই প্রশংসিত। তাদের মানবিক কার্যক্রম ও দূর্যোগ মুহুর্তে মানু‌ষের পাশে থেকে ত্রান ও মানবিক সাহায্য প্রদান, মানু‌ষের মনে সেবক পুলিশের আস্তা অর্জন করেছে। জেলা পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ এর নির্দেশে কয়রা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন কয়রা থানা পুলিশের সকল সদস্যদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক সাহায্য জনগণের কাছে পৌছে দিচ্ছেন সর্বদাই।করোনার শুরেতে ৮ই মার্চ থেকে মানবিক পুলিশ বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত উপজেলা,ইউনিয়ন, গ্রাম, গুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ক্ষতিগ্রস্ত বেঁড়িবাধ নির্মাণে স্থানীয়দের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে কয়রা থানা পুলিশ। পাশাপাশি দুর্যোগ কবলিত এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের সেবা দিচ্ছেন কয়রা থানা পুলিশ। জনসাধারণকে সেবা প্রদান করে উপজেলার মানুষের কাছে শতভাগ আস্থা অর্জন করেছেন কয়রা থানা পুলিশ, এই পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ। করোনায় আক্রান্তদের হোম আইসোলেশন, লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা, নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রিতে সহায়তা করেছে উপজেলার পুলিশ বাহিনী। কয়রা থানায় পুলিশের সব কয়টি ফাঁড়িকে জনসেবায় নিয়োজিত রেখেছেন জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহর নির্দেশে কয়রা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন প্রতিনিয়ত পুলিশের টিম নিয়ে ছুটছেন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। থানা পুলিশ সব দায়িত্বে ঊর্ধ্বে উঠে এমন মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি উপজেলার আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নের ভুমিকা রাখছেন। এতে উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। করোনায় মানুষের সেবা প্রদান করতে গিয়ে ইতিমধ্যে জেলা পুলিশ সহ বিভিন্ন জেলার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেকে মারাও গেছেন। কিন্তু তাতেও কয়রা থানা পুলিশ থেমে নেই, জীবনের শেষ বিন্দু সময় পর্যন্ত দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দেবে বলে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে জানান।
    এ ব্যাপারে কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন বলেন, আমি মনে করি, পুলিশের সামগ্রিক কাজের চিত্র, সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলে। সরকার প্রধান সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক জনবান্ধব পুলিশ সৃষ্টি করতে সর্বদা তৎপর। তাইতো বাংলাদেশ পুলিশ আজ জনগণের বন্ধু ও মানবিকতার উৎকর্ষতায় অনন্য। আমরা আপনাদের তথা জনগণের বন্ধু হিসেবে সবসময় পাশে আছি। আসুন সবাই সচেতন হই, নিজেকে নিরাপদ রাখি, দেশকে নিরাপদ রাখি। বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার সমন্বয়ে সবসময় জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করে যাবে। জনগণের বন্ধু বাংলাদেশ পুলিশকে আরো জনকল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ করতে সময়োপযোগী সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অটুট থাকুক, দেশ ও জনগণের কাছে এই প্রাপ্তির প্রত্যাশা ও কৃতজ্ঞতায় সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলুক। তিনি আরও বলেন, পুলিশ একমাত্র প্রতিষ্ঠান যারা জনগনের সবচেয়ে কাছাকাছি থেকে দায়িত্ব পালন করে। সুপার সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও করোনা পরিস্থিতিতে পুলিশ মানুষের কাছাকাছি থেকে দায়িত্ব পালন করার সুবাদে মানুষের সকল কষ্টের বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছে। মূলত এই ধারণা থেকেই সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে কয়রা থানা পুলিশ জনগণের সাথে থেকে জনগণের সবধরনের দুঃখ লাঘবে জনগনের পাশে থেকে কাজ করছে।

  • শেয়ার করুন »

    মন্তব্যসমূহ »

    1. মোঃ মিজানুর রহমান on

      আমি কয়রার ছেলে তবে আমি উনাকে সরাসরি দেখি নাই পএ্ পএিকায় রিপোর্ট দেখেছি উনি একজন ভালো অফিসার উনাকে ধন‍্যবাদ।

    2. রবিউল স্যারকে অসংখ্য ধন্যবাদ উনার প্রত্যেকটা কাজে আমি খুবই প্রশংসা করি উনার প্রত্যেকটা কাজ মানুষের জন্য হয় এবং উনি একজন সৎ অফিসার ধন্যবাদ জানাই উনাকে আমি উনাকে দেখেছি এবং চিনি কয়রা মহারাজপুর

    মন্তব্য করুন »